Saturday, May 8, 2021
Home > বিনোদন > দুই স্বামীকে ‘ছেড়ে’ মন্ট্রিলে দেখা মিলল তিন্নির!

দুই স্বামীকে ‘ছেড়ে’ মন্ট্রিলে দেখা মিলল তিন্নির!

বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি। তাকে নিয়ে জানার আগ্রহের শেষ নেই ভক্তদের। অনেকদিন থেকেই তিন্নি তার মেয়ে ওয়ারিশাকে নিয়ে কানাডার মন্ট্রিলে রয়েছেন।

বেশ কিছু গণমাধ্যমের সুত্র মতে, সেখানেই অনেকদিন ধরে বসবাস করেছেন তিন্নি। তবে তাকে সেখানকার কোনো অনুষ্ঠানেও তেমন দেখা যেত না। তাই মন্ট্রিলে অবস্থান নিয়ে বেশ জল্পনাও ছিল এই অভিনেত্রীর। তবে এবার ভাঙল সে জল্পনার। দেখা মিললো তিন্নির।

গতকাল মন্ট্রিলে তিন্নির কাজিন শায়ানা হকের বয়স ষোলো পূর্ণ হওয়ার কারণে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত হন তিন্নি ও তার একমাত্র কন্যা ওয়ারিশা। অনুষ্ঠানে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ বেশে দেখা গেছে এই নায়িকাকে।

তাছাড়া অনুষ্ঠানে একটি গানে ড্যান্স পারফর্মও করেন তিন্নির মেয়ে ওয়ারিশা। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, তিন্নি এখন ভালো আছেন। শোবিজের দুনিয়া ছেড়ে এখানে নতুনভাবেই সবকিছু শুরু করেছেন। আমরা তার সুদীর্ঘ জীবন কামনা করি।
এ অনুষ্ঠানের বেশকিছু ছবিও তিন্নি তার ফেসবুকের ওয়ালে পোস্ট করেছেন। যেখানে তাকে দেখে মনে হয়েছে, বেশ হাস্যোজ্জ্বল আছেন তিনি এবং আগের চেয়ে অনেক বেশি ওজন বাড়িয়েছেন এই মডেল-অভিনেত্রী।

প্রসঙ্গত, ক্যারিয়ারের একটা পর্যায়ে শোবিজের কাজ নিয়ে তুমুল ব্যস্ত ছিলেন এ পর্দাকন্যা। ২০০৪ সালে তিন্নি ‘মিস বাংলাদেশ’ নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর অসংখ্য জনপ্রিয় টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন। তাছাড়া নূরুল আলম আতিকের ‘ডুবসাঁতার’, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ চলচ্চিত্রগুলোতে অভিনয় করেও বেশ প্রশংসা কুড়ান।

এরপর একটা সময় ব্যক্তিজীবনে হতাশার কারণে শোবিজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন তিন্নি। পরে ২০০৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর অভিনেতা আদনান ফারুক হিল্লোলকে প্রথমে বিয়ে করেন। দাম্পত্য কলহের জের ধরেই ২০০৯ সালের শেষের দিকে তারা আলাদা থাকতে শুরু করেন। তার বেশ ক’বছর পর তাদের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ হয়।

এদিকে, ২০১৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদনান হুদা সাদকে বিয়ে করেন তিন্নি। ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশ হয় তার দ্বিতীয় বিয়ের কথা। এ সংসারও সুখের হয়নি। বিচ্ছেদে জড়ান তিনি। এরপর একা থাকতে শুরু করেন তিন্নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *